আধুনিক বাংলা গান
কণ্ঠসাধন ও আধুনিক গানের সুর
আধুনিক বাংলা গানের শুদ্ধ সুর, লয়-তাল ও প্রয়োগের উপর প্রামাণ্য প্রশিক্ষণ।
২১ বছরের অভিজ্ঞ নারী শিক্ষিকা ও গুণী সঙ্গীতশিল্পীদের তত্ত্বাবধানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (AC) ক্লাসরুমে আনন্দময় সুর সাধনা। শিশু থেকে বয়োবৃদ্ধ সবাই এক পরিবারের মতো ভালোবেসে গান শেখেন।
কণ্ঠের শুদ্ধতা, তাল ও লয়ের নিখুঁত প্রশিক্ষণ নিয়ে গড়ে তুলুন আপনার সঙ্গীত জীবনের মজবুত ভিত্তি।
কণ্ঠসাধন ও আধুনিক গানের সুর
আধুনিক বাংলা গানের শুদ্ধ সুর, লয়-তাল ও প্রয়োগের উপর প্রামাণ্য প্রশিক্ষণ।
গীতবিতান ও ভাব রস সাধনা
রবীন্দ্রসঙ্গীতের ভাব, উচ্চারণ ও সুরের সঠিক প্রশিক্ষণসহ প্রামাণ্য শিক্ষা।
প্রাণের বিদ্রোহ ও সুরের সাধনা
নজরুলগীতির রাগাশ্রয়ী সুর, উচ্চারণ ও আবেগের উপর নিবিড় তালিম।
রাগ, তাল ও স্বরসাধনা
হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের স্বর, রাগ, তাল ও নিয়মিত রেওয়াজ।
সংগ্রামের সুর ও গণচেতনা
দেশপ্রেম, সামাজিক চেতনা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্দীপ্ত গণসঙ্গীতের ধারা।
যেকোনো তথ্যের জন্য আমাদের মূল কেন্দ্রে আসুন অথবা অনলাইন সহায়তা কেন্দ্রে (Helpdesk) যোগাযোগ করুন। বয়স ও সুরের রুচি অনুযায়ী সঠিক কোর্স বাছাই করার পরামর্শ পেতে প্রধান নারী শিক্ষিকা ও অধ্যক্ষের সাথে সরাসরি পরামর্শ করুন।
২১ বছরের অভিজ্ঞ নারী শিক্ষিকা কর্তৃক গভীর স্নেহ ও নির্ভর পরিচালনায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুনিক ক্লাসরুমে। এছাড়া মহড়ার বা কঠিন রোগ থেকে সুস্থ হয়ে থাকা মানুষও সুরের ছোঁয়ায় খুঁজে পান মানসিক আরোগ্য ও আত্মিক প্রশান্তি।
চন্দননগর স্পন্দন সঙ্গীত শিক্ষালয়ে সুরের সান্নিধ্যে এসে শিক্ষার্থীদের মনের কথা ও সঙ্গীত সাধনার অনুভূতি।
সংবাদপত্রের পাতায়, টেলিভিশনের পর্দায় এবং মানুষের কথায় স্পন্দনের পথচলার নির্বাচিত ঝলক।
পুরশ্রী'
22 October 2026
মধুছন্দা মৈত্রঃ ফাগুনেরও নবীন আনন্দে। বিশ্বকবির ফাগুন বন্দনা আজ সবার কাছে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই হোলির রঙে ছোটো বড়ো সবাই সামিল। গঙ্গার পশ্চিমপাড়ের…
মধুছন্দা মৈত্রঃ ফাগুনেরও নবীন আনন্দে। বিশ্বকবির ফাগুন বন্দনা আজ সবার কাছে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই হোলির রঙে ছোটো বড়ো সবাই সামিল। গঙ্গার পশ্চিমপাড়ের শহর চন্দননগরে তাই হোলির রঙে সবাইকে মাতিয়ে দিতে 'স্পন্দন' সংগীত শিক্ষা কেন্দ্রের উদ্যোগে, সমাদৃতা দত্ত এবং রাহুল দত্তের পরিচালনায় নদীর ধারে আয়োজিত হয়েছিল বসন্ত উৎসবের। দশটি সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রকে একত্রিত করে হয়েছিল এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। শিশু কিশোর, প্রবীণ, নবীন সকলে মিলে ভোরবেলা 'ওরে গৃহবাসী খোল দ্বার খোল' বলে গান গেয়ে, সকল নগরবাসীকে সুরে মাতিয়ে নিয়ে গিয়েছিল ফরাসি আমলে নির্মিত গঙ্গার পাড়ের জেটির সামনে। গানে, নাচে, কবিতা, নাটকে জমজমাট এক প্রভাতী অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন সবাই। রাস্তা জুড়ে রইল পড়ে পলাশ আর আবিরের রঙিন আল্পনা।
খোলা হাওয়া
22 October 2026
চন্দননগর স্পন্দন সঙ্গীত শিক্ষালয়ের আয়োজনে স্থানীয় নৃত্যগোপাল স্মৃতিমন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এক অবিস্মরণীয় সন্ধ্যা। এই প্রেক্ষাগৃহ বহু পুরানো স্থাপত্য বহন করে চলেছে…
চন্দননগর স্পন্দন সঙ্গীত শিক্ষালয়ের আয়োজনে স্থানীয় নৃত্যগোপাল স্মৃতিমন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এক অবিস্মরণীয় সন্ধ্যা। এই প্রেক্ষাগৃহ বহু পুরানো স্থাপত্য বহন করে চলেছে আজও। সাদা-কালো যুগের হেন কোনও শিল্পী নেই যাঁরা আসেননি।
স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ একাধিকবার এসেছেন এখানে। এমন একটি ঐতিহাসিক মঞ্চকে বেছে নিয়ে স্পন্দন প্রতিবারের মতোই এবারেও একটি নির্দিষ্ট বিষয়কে কেন্দ্র করে সাজিয়েছিল তাদের অনুষ্ঠানের ডালি। এবারের বিষয় ছিল ‘রেডিও’। প্রথমদিন অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছিল চমক। স্পন্দনের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে একটি বই প্রকাশ পেল। লিখেছেন আকাশবাণীর প্রখ্যাত ঘোষক মিহির বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্পাদনা করেছেন বিশিষ্ট সঙ্গীত সমালোচক ও লেখক অভীক চট্টোপাধ্যায়। প্রকাশক নয়া উদ্যোগ। মিহিরবাবুর স্মৃতিতে উঠে এসেছে আকাশবাণীতে তাঁর কর্মজীবনের নানাধরনের অজানা গল্পকথা। বইপ্রকাশ উপলক্ষে মঞ্চে হাজির ছিলেন আকাশবাণীর আরেক ঘোষক ভবেশ দাশ, লেখক মধুময় পাল, রেকর্ড সংগ্রাহক সঞ্জয় সেনগুপ্ত, প্রকাশক পার্থশঙ্কর বসু এবং অভীক চট্টোপাধ্যায়। পাঠকের মনে দাগ কেটে যাবে এ বই, এ কথা বলাই বাহুল্য। এরপরে শ্রুতিনাটক ও মঞ্চনাটকের মাধ্যমে শেষ হয় প্রথমদিনের কার্যক্রম।
দ্বিতীয়দিন যেন রেডিওর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করলেন অধ্যক্ষা সমাদৃতা দত্ত এবং তাঁর ছাত্র-ছাত্রীরা। অনুষ্ঠানের নাম ছিল ‘রেডিওর গানযাপন’। সেখানে বাচ্চাদের সঙ্গীত শিক্ষার আসর, রম্যগীতি এবং অনুরোধের আসর নামে তিনপর্বে শেষ হয় অনুষ্ঠান। হারিয়ে যাওয়া বহু গান উঠে আসে রম্যগীতি পর্বে। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল থেকে শুরু করে চিন্ময় চট্টোপাধ্যায়, মীনা কাপুর, বাণী কোনার, নির্মলা মিশ্র, উৎপলা সেন, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, মান্না দে, শ্যামল মিত্র-সহ আরও অনেক গাওয়া গান উপস্থাপন করেন। তথ্য সংবলিত এমন অনুষ্ঠান শুনতে পাওয়া এক অনন্য অভিজ্ঞতা। তেমনি অনুরোধের আসর পর্বে স্পন্দনের শিল্পীরা সরাসরি শ্রোতাদের সাথে কথা বলতে বলতে করে তোলেন নস্টালজিক। শ্রোতারা ফিরে যান তাদের বড় হয়ে ওঠার দিনগুলোতে। এই পর্বে আমরা শুনে ফেলি সুধীরলাল চক্রবর্তী, মাধুরী চট্টোপাধ্যায়, সুবীর সেন, লতা মঙ্গেশকর, জপমালা ঘোষ, রাহুল-আশা’র ডুয়েট সহ অন্যান্য জনপ্রিয় গান, যা সেইসময় মানুষের মনে দোলা দিয়ে যেত। অনুষ্ঠান শেষ হয় যূথিকা রায়ের ‘পৃথিবী আমারে চায়’ গানের মাধ্যমে। যেন একটা বৃত্ত সম্পূর্ণ হয় এই গানে। দর্শক ও শ্রোতা গলা মিলিয়ে গেয়ে ওঠেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে। অনুষ্ঠানে আগত সকলের একটাই কথা বহুদিন মনে থাকবে এমন একটা সন্ধ্যা।
সাঁঝের প্রদীপ, সম্পাদক : অনন্ত সাঁতরা
22 October 2026
শ্রীদাস চ্যাটার্জী , চন্দননগরঃ শীতের জীর্ণতা কাটিয়ে, প্রকৃতির নবযৌবনের বার্তা নিয়ে সে আসে, আর তাকে বরণ করে নেওয়া হয় মহাসমারোহে, আবেগে ও…
শ্রীদাস চ্যাটার্জী , চন্দননগরঃ
শীতের জীর্ণতা কাটিয়ে, প্রকৃতির নবযৌবনের বার্তা নিয়ে সে আসে, আর তাকে বরণ করে নেওয়া হয় মহাসমারোহে, আবেগে ও প্রেমে।
শান্তিনিকেতনে প্রবর্তিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই বসন্ত উৎসব বাঙালি সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। যা আজ রাঙামাটির সীমানা ছাড়িয়ে সারা বাংলার দিকে দিকে উদযাপিত হয়। শীতের রুক্ষতা পেরিয়ে প্রকৃতি যেমন রঙিন হয়ে ওঠে ফুলে ফুলে, তেমনই এই বসন্ত উৎসবের মাধ্যমে নতুন উদ্দীপনার সাথে সব বিভেদ ভুলে সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় হয় মানুষের মধ্যে।
রবীন্দ্রনাথের পুত্র শমীন্দ্রনাথ ১৯০৭ সালে যে ঋতু উৎসবের সূচনা করেছিলেন, তা কিন্তু দোলের দিন অনুষ্ঠিত হয়নি। ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে ফাল্গুনী পূর্ণিমায় শান্তিনিকেতনে আশ্রম সম্মিলনীর অধিবেশনে যে বসন্ত উৎসবের সূচনা হল, তারই ধারাবাহিকতা আজও বজায় আছে দিকে দিকে।
স্পন্দন সঙ্গীত শিক্ষালয় আয়োজিত দশমতম বসন্ত উৎসব এলাকাবাসীর মন কেড়ে নেয়। আট থেকে আশি সব বয়সের মানুষই স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয় এই বর্ণাঢ্য প্রভাতফেরিতে। সবথেকে চমকপ্রদ মনকাড়া বিষয়টি হল, স্পন্দন সঙ্গীত শিক্ষালয় এই সম্প্রীতির আস্বাদ গ্রহণ করার সুযোগ করে দেয় আরও সাতটি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিচর্চা কেন্দ্রকে। এ ছাড়াও আরও দুটি সংস্থা 'রবিবারের আড্ডা' ও 'সবুজের অভিযান' যোগদান করেন এই বর্ণিল পদযাত্রায়। হলুদরঙা শাড়ি আর সাদা পাঞ্জাবীর ভিড়ে, ফুল আবির ছড়িয়ে নাচ গান করতে করতে এগিয়ে চলল শত শত মানব মানবী, যা এক মনোরম পরিবেশ উপহার দিল ঐতিহাসিক শহর চন্দননগরকে। ফরাসী উপনিবেশ চাঁদের নগরীর শত সহস্র বাসিন্দা সাক্ষী থাকল এই পদযাত্রার।
এখানেই তারা থেমে থাকে নি, সবুজের অভিযান মাঠে জমায়েত হয়ে শুরু হল এক শ্রীময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান 'আগামীর রঙ নাও তুমি', যা একাধারে মনজ্ঞ ও মনোরঞ্জক। এই বিশাল মিলনমেলার সে দিনের মত ইতি টানা হয় মিষ্টিমুখ ও আবির খেলার মাধ্যমে। সকলের মনে খুশির রেশ টেনে, আনন্দ বার্তা ছড়িয়ে সেই শেষ থেকেই শুরু হল আগামী বছরের দিন গোনার। সুভাষ মুখোপাধ্যায় এর ভাষায় 'ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত'।
বাংলাদেশের অত্যন্ত নামী চ্যানেল 'যমুনা টিভি'-তে দেওয়া সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ।
23 October 2026
বাংলাদেশের বিখ্যাত 'চ্যানেল আই' টিভি তাঁদের প্রতিবেদনে তুলে ধরেছেন আমাদের সেই রাতের অভিব্যক্তি।আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই।
23 October 2026
দেশ টিভি (বাংলাদেশ)
23 October 2026
"স্পন্দন, চন্দননগরের সাংস্কৃতিক পটভূমিকায় একটি উল্লেখযোগ্য নাম। তারা কিন্তু দীর্ঘ ২০ বছর ধরে সঙ্গীতপ্রেমী মানুষদের সাঙ্গীতিক এক ধরনের সেবা করে আসছে। এত ভালো ভালো অনুষ্ঠান উপহার দিচ্ছে তারা প্রতি বছর এবং খুব নিষ্ঠা সহকারে ওখানে সঙ্গীত শিক্ষা দেওয়া হয়।
২০ বছর হতে চলেছে, সেই একইভাবে কিন্তু নিষ্ঠা সহকারে ওরা তাদের এই দায়িত্ব পালন করে চলেছে। ভালো সঙ্গীত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। ওরা কিন্তু প্রতি বছর একটি করে অনুষ্ঠান মঞ্চস্থ করে, সেখানে প্রচুর গুণী মানুষরা আসেন, সঙ্গীত পরিবেশন করেন, আলোচনা হয়, কম্পোজিট প্রোগ্রাম যেটা আমরা বলি। ছোট ছোট শিশুদের সুন্দরভাবে এক সাঙ্গীতিক পরিবেশ দেওয়া, সেটাও তাদের মাথায় থাকে।
ওরা আমার ভীষণই স্নেহধন্যা এবং খুব ভালো কাজকর্ম করে বলে আমি ওদের ভীষণই অনুরাগী এবং গুণগ্রাহী। এটি কোন অনুষ্ঠানের জন্য কোন কিছু প্রয়োজন হলে সবসময় ওরা আমাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। আমার বাপের বাড়ির পুজো যেটা হয়, ওরা সেখানে গিয়েও মহিষাসুরমর্দিনী সমগ্র ওই সঙ্গীতানুষ্ঠানটি ওরা পরিবেশন করে এবং প্রত্যেকে মানে মুগ্ধ হয়ে সেটা শুনেছে এবং তাদের চোখে জল এসে গেছে, এতটা সুন্দরভাবে ওরা উপস্থাপনা করেছিল সেই অনুষ্ঠানটি। স্মরণীয় হয়ে রয়েছে।
স্পন্দন সামাজিক নানা কাজে জড়িত বহু বছর ধরে। করোনার সময়তেও ওনারা ১৪ জন শিল্পী তাঁদের সংসারের ভরণ-পোষণ নেওয়া পুরো চালিয়ে গেছেন। তারপর আমফানের সময় বিভিন্ন মানুষকে সাহায্য করা, সুন্দরবনে সাহায্য করে আসা, আসানসোলে যে খনি এলাকা, সেখানকার বাচ্চাদের পড়াশোনার জিনিসপত্র, জামাকাপড় দিয়ে আসা—এরকম সমস্ত কাজই ওনারা বহু বছর ধরে করে চলেছেন।
আমি যে পৃথিবীর ছ'টা উচ্চতম শৃঙ্গ আরোহণ করেছি এভারেস্ট-সহ, এবং অক্সিজেন ছাড়াই আমি চেষ্টা করি। আমি যে এতগুলো অভিযান করতে পেরেছি, পৃথিবীতে আজকে যে চন্দননগরকে চিনতে পেরেছে, তার জন্য স্পন্দন সবসময় আমার পাশে থেকেছে।
স্পন্দন, চন্দননগরের বুকে কেন, হুগলি জেলার বুকে একটি প্রতিষ্ঠিত নাম। এরা যে কেবলমাত্র সাংস্কৃতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড করেন তা নয়। তার সঙ্গে তার আরেকটা জিনিসও করে থাকেন, সামাজিক সচেতনতার যে কাজকর্মগুলো, তা করেন। সাম্প্রতিককালে, কয়েক বছরের মধ্যে সবথেকে বড় সমস্যা হয়েছিল করোনার সময়। সে সময় লোকে যাতে ভ্যাকসিন পায়, তার তারা প্রচেষ্টা করেছে। বড়বাজার শুভদর্শন ব্যাণ্ড মাঠে তারা এই ক্যাম্পটা করেছিলেন, ভ্যাক্সিনেশন। হুগলি জেলার যে-সমস্ত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা করেছেন, তার মধ্যে এই স্পন্দন দ্বারা আয়োজিত যে ক্যাম্প, সেখানে সর্বাধিক মানুষ ছিল।আমি স্পন্দনের এই কাজকর্মের অত্যন্ত একজন ভক্ত। ওরা সবাই ভালো থাকুক। চন্দননগরের মানুষ এর পাশে দাঁড়াক।
সৌমিলি অ্যাপার্টমেন্ট, জে.এন.সুর রোড, চন্দননগর , জেলা : হুগলী,, পিনকোড : ৭১২১৩৬, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত